শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু,খুলনা জেলা প্রতিনিধি
ফুলতলা এম এম কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র সৈয়দ আলিফ রোহান হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছেন বিজ্ঞ আদালত, মামলার প্রধান আসামি তাসিন মোড়ল অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে (১০) বছরের কারাদণ্ডদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ ( অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী ও শিশু আদালত ) আদালত সূত্রে জানা যায় ২০২৩ সালে প্রধান আসামি তাসিন মোড়ল অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বিষয়টি সামনে এলে বিজ্ঞ আদালত তার মামলাটি পৃথক করে অপ্রাপ্তবয়স্ক নারী ও শিশু আদালতে স্থানান্তর করেন ( যার মামলা নং ৫১/২৩) স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর এন্ড কামরুল নাহার হেনা জানান, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আলমাচ মৃধা সোমবার এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন উল্লেখ্য ২০২২ সালের ৩১ মার্চ দুপুরে ফুলতলা এম এম কলেজ প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে দিবালোকে বখাটে ও কিশোর গ্যাং সদস্যদের হাতে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাতের শিকার হন পায়গ্রাম কসবা সৈয়দ আবু তাহেরের পুত্র সৈয়দ আলিফ রোহান ( ১৯ ) এম এম কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের ছাত্র, কলেজ প্রাঙ্গনে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় ইভটিজিং বা মেয়েদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করার বখাটেরা ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে বলে জানা যায়, উক্ত ঘটনায় নিহত রোহানের পিতা বাদী হয়ে ১ এপ্রিল ২০২২ খ্রিঃ তারিখে ফুলতলা থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা ( মামলা নং ০১/০৪/২২, খ্রিঃ) দায়ের করেন, মামলার প্রধান আসামি ছিল তাজপুর এলাকার জাহাঙ্গীর মোড়লের পুত্র তাসিন মোড়ল, দীপ্ত সাহা, শান্ত গাজী, ও শেখ আবু হাসানাত, ঘটনার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে দীপ্ত সাহা কে গ্রেফতার করে, যিনি পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে কিলিং মিশন ও কিশোর গ্যাংয়ের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন, চঞ্চল্যকর এই হত্যা সুস্থ তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে মামলাটি সিআইডতে হস্তান্তরিত হয় তবে, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন দুই আসামি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আলিফ রোহানের পরিবার, রায় ঘোষণার পর নিহত রোহানের পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল এই রায়ে কিছুটা স্বস্তি প্রকার করলে ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের দ্রুত সাজার দাবি জানিয়েছেন,