ঈদগাঁও,নিজস্ব প্রতিনিধি,
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে বিদ্যুৎতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। ফলে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছেন গ্রাহকদের মাঝে।
দেখা যায়,দুয়েকদিন ধরে দিবারাত্রি লোডশেডিং চলছে। পাড়া মহল্লায় কোথাও একঘন্টা,আবার কোথাও দু-ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎতের লোডশেডিং। এতে করে বেশি দুর্ভোগে পড়েন শিশু,বৃদ্ধ,অসুস্থ ব্যক্তি,শিক্ষার্থীসহ ব্যবসায়ীরা।জানা যায়, ব্যস্তবহুল বানিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত ঈদগাঁও বাজার। বাজারে বিদ্যুৎ বিভ্রান্ট চরমে উঠেছে। দেখার যেন কেউ নেই। বাজারে বিদ্যুৎতের উপর নির্ভরশীল বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে থমকে যাচ্ছেন। কম্পিউটার,ফটোকপি,প্রিন্ট,রাইসমিলসহ আরও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎ যতক্ষণ থাকবে,ততক্ষণ আয়ের চাকা ঘুরবে। বিদ্যুৎ স্থায়ী হচ্ছেনা। এছাড়াও বাজার কেন্দ্রীক হাসপাতাল ও এক্স-রে প্যাথলজি সেন্টার ও ডেন্টাল চিকিৎসালয়ের ফ্রিজগুলোতে দামী ইনজেকশনও রয়েছে। রোগীর সেবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও রয়েছে। লোডশেডিংয় কারনে হাসপাতালের জিনিসপত্র নষ্ট হওয়ার উপক্রম শুরু হয়। উপজেলা আওতাধীন পাড়া মহল্লায় ঘরবাড়ীতে ফ্রিজ, রাইস কুকার, পানির মটরসহ বিদ্যুৎতের উপর নির্ভরশীল জিনিস রয়েছে। লোডশেডিংয়ে ফলে ফ্রিজে রক্ষিত মাছ-মাংস ও খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।কয়েকজন মহিলা জানান, কদিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিং চলমান। ঘণ্টা দুয়েক পেরোতেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। চোখ বুঝে ঘুম আসতে না আসতেই বিদ্যুৎতের আসা যাওয়ায় শিশুদের নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।ভোক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ,সারাদিন পরিশ্রম শেষে রাতে বাড়ীঘরে এসে দেখি লোডশেডিং। ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রান্টের কারনে ঘুমানোর উপায় নেই। স্বাভাবিক জীবন যাপনই কঠিন হয়ে পড়েছে।ব্যবসায়ী ছৈয়দ করিম ঘন ঘন পবিসের লোড শেডিং বন্ধের দাবী জানান। এক কাপড় ব্যবসায়ী জানান,সকাল থেকে দুপুর পযন্ত ৫/৬ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করে থাকেন বাজারে।সাজেদ সুলতান জানান, পল্লী বিদ্যুৎতের লোড শেডিং অসহ্য আকার ধারণ করছে।পবিস ঈদগাঁও জোনাল অফিসের এজিএম ( ও এন্ড এম) মো : আলমগীর কবির নোটিশ সূত্রে জানান, ঈদগাঁও জোনাল অফিস এ বর্তমান পীক ডিমান্ড ২২ মেগাওয়াট তার বিপরীতে বরাদ্দ ১২ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ১০ মেগা ওয়াট ফলে লাইনে রাতের বেলা লোডশেডিং হচ্ছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।