নিজস্ব প্রতিনিধী:- এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
চলমান প্রচন্ড তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের জনজীবন। ব্যস্তবহুল বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারে কর্মব্যস্ততার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরমের অস্বস্তিও। সবখানে গরমে হাবুডুবু খাচ্ছেন নানান শ্রেনীপেশার মানুষ। কংক্রিটের শহর আর পিচগলা পথে ঘাম ঝরা মানুষ দেখলে সহজে অনুমেয় কতটা তপ্ত সূর্য। মুখ, গাল আর শরীর বেয়ে পড়া প্রতিটি বিন্দু জানান দিচ্ছে এ নগরী কতটা হাঁসফাঁস করছে গরমের তীব্রতায়। এমনকি রেলসড়কের দুইপাশ জুড়ে সারি সারি হরেক রকমের গাছগাছালি থাকার পরেও মূল সড়কে যতদূর চোখ পড়ে না কেন ততদূরই সূর্যের তেজের দৃশ্য চোখে পড়ে। কিছুক্ষণ গরমে হাঁটলে বুঝা যায়,কি পরিমান গরম সেটি। এছাড়াও তীব্র গরমের কারনে অনেকেই অপ্রয়োজনীয় বাড়ীঘর থেকে সহজে বের হচ্ছেনা। অটোরিকশা চালক তাহের,নাছিরসহ আরও অনেকে জানান 'গরম কয়েকদিন ধরে অসহনীয় পর্যায়ে পড়ছে। গরমে কিন্তু যাত্রীর সংখ্যা কমছে। অনেকে সহজে ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। তীব্র গরমে যানবাহন চালাতে গিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছি। তারপরেও পরিবারের ভরন পোষনের স্বার্থে গাড়ী চালাতে হচ্ছে কষ্ট করে। করার কিছু নেই। পথচারীরা জানান, আগুন ঝরা গরম। বাতাস বলতে নেই। যেটা সহ্য করা যাচ্ছে না। হাঁটতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে শরীর।কর্মজীবি মোহাম্মদ আলম, শামসুল আলম জানান, আমরা যারা দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল লোকজন রয়েছি। কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরমে কাজকর্ম করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার পর থেকে বিকেল ৩টা পযন্ত তীব্র গরমের দৃশ্য চোখে পড়ে। মহাসড়কসহ উপসড়ক সমুহে তিন চাকার যানবাহন চলাচল করছে অনেকটাই কম। সকাল ১১টার দিকে দলছুট কিশোরেরা মাইজ পাড়া বলিখেলা পুকুরে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে গোসলের চিত্র দেখা যায়। সচেতন মহল জানান, একদিকে গরমে হাসফাস করছে সাধারণ মানুষ,অন্যদিকে লোডশেডিংয়ে বিপর্যয় পবিসের গ্রাহকরা।