নিজেস্ব প্রতিনিধি মাহিয়া আক্তার:নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রণে আনেন।এদিকে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি অভিযোগ ওঠার পর শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাতে সেখানে গিয়ে কথা বলেছেন যুবদলের শীর্ষ নেতারা। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধি দল রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীতে সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করেন।এ সময় অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘আমার সঙ্গে ডিরেক্টলি কখনো কথা বলেনি সে। স্টাফদেরকে ভয়ভীতি দেখায় যে, অমুককে চাকরি থেকে সরিয়ে দেবে—এই খবর পাচ্ছিলাম। তার দাবি, আমাদের হাসপাতালে তার লোকদেরকে কাজ দিতে হবে। আমার এখানে চারশ’ স্টাফ কাজ করে, যাদের বেশিরভাগেই দরিদ্র। সে বলে যে, সে যুবদল কর্মী এবং কমিশনার পদে দাঁড়াবে। স্থানীয় নেতাদেরকে তার ব্যাপারে জানিয়েছি। কিন্তু তাদের কথা ও শুনেনি। আমি বিষয়টা নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’‘হঠাৎ এসে জানায়, হাসপাতালের একজন স্টাফ তার কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে। এটা তাকে দিতে হবে। স্টাফ কোথা থেকে দেবে? সুতরাং হাসাপাতাল থেকে দিতে হবে। এভাবে সে দাবি করছে। প্রথমে সে ভয় দেখাতো, দেখতে অনেক লম্বা-চওড়া, সঙ্গে অনেক লোক নিয়ে আসে। আবার নিজেদেরকে যুবদল কর্মী বলে দাবি করে। কিছু বলাও যায় না।’পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ও আসলে আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙ্গায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কাউকে ছাড় দেই না।’তিনি আরও বলেন, ‘আগের আমলে যেরকম এ ধরনের ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করা হয়েছে, আমরা কিন্তু সেটাও করি না। আমরা আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে সাজা দিয়েছি, প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি, কাউকে কাউকে পুলিশে ধরিয়েও দিয়েছি।’