শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়, উদ্বেগে সাংবাদিক সমাজ একজন সাংবাদিক যখন মাঠে নামেন, তখন তিনি শুধুমাত্র একটি সংবাদ সংগ্রহ করতে যান না—তিনি সত্যের অনুসন্ধানে নিজেকে উৎসর্গ করেন। সমাজের অন্ধকার দিকগুলোকে আলোর সামনে তুলে ধরা, অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠ হওয়া—এটাই তার পেশা ও দায়িত্ব। কিন্তু এই পথ সহজ নয়; বরং প্রতিটি পদক্ষেপে থাকে ঝুঁকি, ভয়, চাপ এবং অপমানের আশঙ্কা।সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় সেই কঠিন বাস্তবতা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিক সামিরাজ মায়া এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের সঙ্গে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায়।অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সাংবাদিক সামিরাজ মায়ার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। শুধু তাই নয়, তার এক সহকর্মীকে শারীরিকভাবে মারধর করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে, নিজের প্রাণ বাঁচাতে তাকে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হতে হয়।এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত দুর্ভোগ নয়; এটি পুরো সাংবাদিক সমাজের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিচ্ছবি। যারা প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সত্য তুলে ধরেন, সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন—তাদের ওপর এমন হামলা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়; বরং এটি একটি মহান পেশা, যা সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সাংবাদিকদের ওপর যেকোনো হামলা শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়—এটি গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের ওপর সরাসরি আঘাত।আমাদের জোর দাবি—ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে ্সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে
আসুন, আমরা সবাই একসাথে দাঁড়াই—
সত্যের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে, স্বাধীনতার পক্ষে