গোলাম রব্বানী,তালা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধ :- সাতক্ষীরা শ্যামনগর এবং পাটকেলঘাটায় সাংবাদিকদের উপরে মব সৃষ্টি করে নির্যাতনের প্রতিবাদে ও মব সৃষ্টির ইন্দন দাতা দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ৪ঠা মার্চ সকাল ১১ ঘটিকার সময় তালা উপজেলা প্রধান ফটকের সামনে উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সকল ইউনিটের সম্মিলিত আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তালা প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি এম এ আব্দুল হাকিমের সভাপতিত্বে ও তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেনের সঞ্চালনায় উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি সাইদুর রহমান সাঈদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলম,সহ-সাংগঠনিক গোলাম রব্বানী, সহ-সাংগঠনিক আতাউর রহমান, দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রহমান, কোষাধক্ষ্য এইচ এম মুফতি এনামুল হক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক জহর হাসান সাগর । সাংবাদিক সাঈদ সম্রাট, তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফারুক জোয়াদ্দার , সহ-সভাপতি এম এ ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সাংবাদিক জি এম খলিলুর রহমান লিতু, সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন, শেখ ইমরান হোসেন। পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল মোমিন, সাংবাদিক শেখ মখফুর রহমান জান্টু, মোহনা টিভির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধ আব্দুল মতিন। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য সানজিদুল হক ইমন, নাজমুল হাসান মাহি, প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যের সম্প্রতি শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনিরের উপর সন্ত্রাসী হামলা ও পাটকেলঘাটায় দুইজন সাংবাদিকের উপর মব সৃষ্টি করে হামলা সহ চারজন সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে ফাঁসানোর তীব্র নিন্দা ও মত সৃষ্টির ইন্দোনদাতা দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। সম্প্রতি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সমকাল পত্রিকার শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি ও শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির “যুবলীগ, যুবদল ও যুব জামাত মিলে বালুমহাল লুট “” শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ করায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়।তাছাড়া সম্প্রতি পাটকেলঘাটা জোড়া টাওয়ার রোডে ১/১ খতিয়ানের সরকারি সম্পত্তি ১৮ লক্ষ টাকায় হস্তান্তরের তথ্য আনতে গেলে দুইজন সাংবাদিক দৈনিক সোনালী কন্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মাসুদ হাসান মনি ও সাতক্ষীরা সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার রবিউল ইসলামকে উক্ত দোকান ক্রাই এর মালিক নিরঞ্জন দাস এবং তার ছেলে উজ্জ্বল দাস কিছু লোক একত্রে করে সাংবাদিকদের চাঁদাবাজ আখ্যা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন এবং পরবর্তীতে দাই আড়ানোর জন্য চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠান এবং পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঘটনা স্থলে না থাকলেও আরো দুই সাংবাদিক সহ মোট চারজনের নামে একটি মিথ্যা ভিত্তিহীন তদন্ত ছাড়াই চাঁদাবাজি মামলা করেন। সাংবাদিকদের নামে এই মিথ্যা মামলা করার পরেও কোন অপশক্তির ইন্দনে অদৃশ্য শক্তি বলে নিরঞ্জন দাস সেখানে দোকান ঘর নির্মাণ কাজ চালিয়ে এক পর্যায়ে শেষ প্রান্তে এসেছেন প্রশ্ন সাংবাদিক মহলের।আজ সাংবাদিক সমাজের একটাই দাবি ২৪ ঘন্টার ভিতরে এই অবৈধ দোকান যদি ভেঙ্গে দেওয়া না হয় সাংবাদিকরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।একই সাথে যে চারজন সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হয়েছে তাদেরকে বেকসুর খালাস দিতে হবে ও সাথে সাথে যারা মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের মেরে রক্তাক্ত জখম করছে তাদেরকেও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।এ ঘটনায় তালা উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।মানববন্ধন শেষে সকল ইউনিটের সাংবাদিক নেতারা তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তারেক হাসানের সাথে সাক্ষাৎ করে ঘটনার বিস্তারিত জানান এবং মব সৃষ্টি কারীদের শাস্তি দাবি করেন।এবং উক্ত সরকারি ভিপি জমিটির উপর নির্মিত দোকানটি ভেঙে মাটির সঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানান সাংবাদিক মহল।এবং ওই ভিপি জায়গাটি গোপাল দাস এবং নিরঞ্জন দাসকে কোনভাবেই নতুন ভাবে এজারা নাদেওয়ার ও আহবান জানানো হয়,এ সময় ইউএনও মহোদয় এ বিষয়ে অতি গুরুত্বের সঙ্গে অতি দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন সাংবাদিকদের কে।
মন্তব্য করুন