নিজেস্ব প্রতিনিধি মাহিয়া আক্তার:খুলনায় জুতার শো-রুমে ঢুকে রূপসা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও উপজেলার শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় সন্ত্রাসীদের তিনটি গ্রুপ। পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।হত্যাকাণ্ডের অংশ নেওয়া অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে আটক অশোক ঘোষকে নিয়ে নগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ মহানগরীর সোনাডাঙ্গা ট্রাক টার্মিনাল ২২তলা ভবনের পাশ থেকে মো. জাবেদ গাজী নামে আরেকজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। আটক জাবেদ ট্রাক টার্মিনাল এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলীর ছেলে।এদিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অশোক ঘোষকে আসামি করে অস্ত্র আইনে থানায় মামলা করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।অন্যদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। আছরের নামাজের পর স্থানীয় দারুস সালাম মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মাসুমের মরদেহ দাফন করা হয়।জানাজায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল, কেসিসি প্রশাসক ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু, বিএনপি নেতা মোল্লা খায়রুল ইসলাম।কেএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মাদ তাজুল ইসলাম বলেন, হত্যার পরিকল্পনা করা হয় অনেক আগে থেকে। বিভিন্ন সময় হত্যাকারীরা সুযোগ খুঁজতে থাকে। কিন্তু গত বুধবার রাতে সে সময় তাদের হয়ে যায়।
মন্তব্য করুন