আলী হায়দার চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃজাতির বিবেক সাংবাদিকের উপর হামলা,থানায় এজাহার, ওসি নীরব! পুলিশের কাজ কি কেবল কাগজে-কলমেই বন্দি! আজ সাংবাদিকরা সত্য নিউজ করতে গিয়ে হামলার শিকার- কিন্তু পুলিশ শান্ত বানী দিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ওসি ভোলাহাট কি ঘুমিয়ে আছে?
আইনের নিয়ম অনুযায়ী থানায় এজাহার করা হয়েছে। অথচ ঘটনার পরে- দিনের পর দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই, এমন অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী। জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন, এজাহার গ্রহণ করাই কি পুলিশের দায়িত্বের শেষ ধাপ? নাকি প্রভাবশালীদের ছায়ায় পড়ে আইনের চাকা ইচ্ছাকৃতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে?
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানায় মামলা দায়ের করার পরও আজ পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, হয়নি কার্যকর তদন্তের অগ্রগতি। পুলিশের এমন রহস্যজনক নীরবতায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। আর সাধারণ মানুষ দিন দিন নিরাপত্তাহীনতার অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের কণ্ঠে তীব্র ক্ষোভ এজাহার দায়ের করার পরেও যদি পুলিশ নিশ্চুপ থাকে, তবে বিচার চাইবে কোথায় সাধারণ মানুষ? আইন কি কেবল দুর্বলদের জন্য, আর ক্ষমতাবানদের জন্য ভিন্ন কোনো অদৃশ্য আইন কার্যকর? আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এজাহার গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করা পুলিশের সাংবিধানিক ও আইনগত বাধ্যবাধকতা। এই দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃত গাফিলতি বা অবহেলা প্রমাণিত হলে তা সরাসরি দায়িত্বে অবহেলা, যা নিজেই একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এলাকাবাসী অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন। অন্যথায়, তারা বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন প্রশাসন, পুলিশ সদর দপ্তর এবং মানবাধিকার সংগঠনের দ্বারস্থ হওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এখন প্রশ্ন একটাই—পুলিশ কি জনগণের ন্যায্য প্রশ্নের জবাব দেবে, নাকি নীরবতাকেই ঢাল বানিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাবে? আইনের শাসন কি বাস্তবেই কার্যকর হবে, নাকি কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে—সেই দিকেই তাকিয়ে পুরো এলাকার জনগণ।
মন্তব্য করুন