bntv24
১ এপ্রিল ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প

নিজেস্ব প্রতিনিধি মাহিয়া আক্তার:ইরান যুদ্ধে যোগ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয় চিন্তা-ভাবনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।সাক্ষাৎকারে পশ্চিমা ওই সামরিক জোটকে ‘কাগুজে বাঘ’ হিসেবে অভিহিত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে আমেরিকাকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি এখন পুনর্বিবেচনায় রয়েছে।হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর যে দাবি ট্রাম্প করেছিলেন, তা মিত্র দেশগুলো প্রত্যাখ্যান করার পর ইউরোপকে আর নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করছে না যুক্তরাষ্ট্র।তেহরান কয়েক সপ্তাহ ধরে কার্যকরভাবে এই প্রণালী বন্ধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এবং বৈশ্বিক মন্দার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো যুদ্ধে না থাকার বিষয়টি ছিল আসলে অবিশ্বাস্য। আমি এ নিয়ে বড় কোনও জোরাজুরি করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম। আমি খুব বেশি চাপ দিইনি। আমি মনে করি, এটি স্বতস্ফূর্তভাবে হওয়া উচিত ছিল।আমরা ইউক্রেনসহ সব জায়গায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলাম। ইউক্রেন আমাদের সমস্যা ছিল না। এটি একটি পরীক্ষা ছিল এবং আমরা তাদের পাশে ছিলাম, আমরা সবসময় তাদের পাশে থাকতাম। কিন্তু তারা আমাদের পাশে নেই।যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকেও তিরস্কার করেছেন তিনি। ইরান বিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকার করায় ব্রিটিশ নৌবাহিনী এই কাজের যোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।ব্রিটেনের যুদ্ধজাহাজ বহরের অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের কোনও নৌবাহিনীই নেই। আপনারা অত্যন্ত পুরোনো এবং আপনাদের এমন বিমানবাহী রণতরী ছিল; যা কাজই করেনি।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষায় আরও ব্যয় করা উচিত কি না—জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, আমি তাকে কী করতে হবে তা বলতে যাচ্ছি না। তিনি যা খুশি করতে পারেন। তাতে কিছু যায় আসে না। স্টারমার শুধু ব্যয়বহুল বায়ুকল চান; যা আপনাদের জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী করে তুলছে।’যুদ্ধে দীর্ঘদিনের মিত্রদের অবস্থান নিয়ে হোয়াইট হাউসের মাঝে হতাশা বাড়ছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ন্যাটোকে ‘একতরফা রাস্তা’ হিসেবে অভিযুক্ত এবং মঙ্গলবার মার্কিন মিত্ররা তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় তীব্র সমালোচনা করেছেন।ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারের কয়েক ঘণ্টা আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বক্তব্যে রুবিও বলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে আমেরিকাকে ন্যাটোর সদস্যপদ নিয়ে ‘পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ করতে হবে।আমি মনে করি দুর্ভাগ্যবশত এই সংঘাত শেষ হওয়ার পর আমাদের ওই সম্পর্ক নিয়ে পুনরায় ভাবতে হবে, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।তিনি বলেন, ন্যাটো যদি শুধু এমন হয় যে তারা আক্রান্ত হলে আমরা ইউরোপকে রক্ষা করব, কিন্তু আমাদের প্রয়োজনের সময় তারা আমাদের ঘাঁটি ব্যবহারের অধিকার দেবে না, তাহলে তা খুব একটা ভালো ব্যবস্থা নয়। এমন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত থাকা কঠিন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খুলনায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৮, নতুন ৮৫ রোগী হাসপাতালে ভর্তি

ভোক্তা অধিকারের অভিযান চুকনগর বাজারে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা, আতঙ্কে শতাধিক দোকান বন্ধ

নতুন রাস্তা পেলো জালালাবাদের হিন্দুপাড়াবাসী 

সততার অনন্য নজির: ডিমলায় হারিয়ে যাওয়া ব্যাংকের চেক ফেরত দিলেন আনসার-ভিডিপি সদস্য ইমরান

ঈদগাঁওতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহকদের মাথায় হাত

চাকরিতে মেধার দরকার নেই, এখন বিএনপির পদ থাকাই যোগ্যতা: গোলাম পরওয়ার

বিএনপি নেতাকে’ নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ জাতির সঙ্গে প্রতারণা: জামায়াত

দিল্লি পুলিশের নির্দেশেই ছাত্রদের ওপর চালানো হয় গুলি, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাদককারবারির তথ্য দিলে ৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা এমপি মাসুদের

সরকারি নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ রাশেদ প্রধানের

১০

এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস ও পাটওয়ারী আহত

১১

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্যের মেয়ে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত

১২

সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে খুলনাকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা হবে : কেসিসি প্রশাসক

১৩

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক আসাদুজ্জামান সরকার

১৪

ঈদগাঁও-মাছুয়াখালী প্রধান যাতাযাতের সড়কটি খানাখন্দকে ভরপুর, দেখার কেউ নেই 

১৫

রামুতে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩

১৬

জালালাবাদের লেবেল ক্রসিংয়ের বেরিয়াল নষ্ট, পারাপার ঝুঁকিতে জনও যানবাহন 

১৭

বটিয়াঘাটা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ও পরিদর্শন করেন খুলনা – আমির এজাজ খান

১৮

দীর্ঘকাল পর ঈদগাঁওতে নতুন ফায়ার স্টেশনের স্থাপন প্রক্রিয়া শুরু

১৯

বটিয়াঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খানকে গণ সংবর্ধনা :

২০