নিজস্ব প্রতিবেক:
খুলনা-৪ (তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চেয়ে জোরালো দাবি তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার কারণে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন তিনি।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনীতির মাঠে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় থাকা আজিজুল বারী হেলাল দলীয় দুর্দিনে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে ভূমিকা রেখেছেন। রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে মামলা, হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও তিনি মাঠের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি বলে দাবি করেন তার অনুসারীরা।এলাকাবাসীর ভাষ্য, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তেরখাদা, রূপসা ও দিঘলিয়া এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দৃশ্যমান গতি এসেছে। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিভিন্ন উদ্যোগ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে তার ভূমিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।তেরখাদা উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য ফেরদাউস মোল্লা বলেন, “আজিজুল বারী হেলাল ভাই একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে বহুবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। তবুও তিনি জনগণ ও দলের পাশে থেকেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে এই অঞ্চলের উন্নয়ন আরও বেগবান হবে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী মহলের অনেকেই মনে করেন, জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পেলে আজিজুল বারী হেলাল বৃহত্তর খুলনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও কার্যকর অবদান রাখতে পারবেন। তাদের মতে, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও জনগণের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে।তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানান, খুলনা-৪ আসনের মানুষের প্রত্যাশা শুধু একজন সংসদ সদস্য নয়, জাতীয় পর্যায়ের একজন কার্যকর প্রতিনিধি হিসেবে আজিজুল বারী হেলালকে দেখতে। সে কারণেই তারা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।এলাকাবাসীর বিশ্বাস, মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে আজিজুল বারী হেলাল খুলনা-৪ আসনের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
মন্তব্য করুন