নিজেস্ব প্রতিনিধি মাহিয়া আক্তার:ত্রিয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছে গত বৃহস্পতিবার। নির্বাচনের ঠিক এক মাসের মাথায় প্রথম অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জনমনে আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস ছিল তুঙ্গে। টেলিভিশন ও মোবাইল লাইভে কোটি কোটি মানুষ দেখেছেন ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ। বহু বছর পর আবারও গণমানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে জাতীয় সংসদ।সাধারণ আসনের ভোট শেষ হতেই সংরক্ষিত আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেন নারী নেত্রীরা। নিজেদের রাজনৈতিক প্রোফাইল তৈরি করে যোগাযোগ ও দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছিলেন দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। আর সংসদ অধিবেশন শুরু হতেই তাদের সে তৎপরতা পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্বে। খুলনা-বাগেরহাট সংরক্ষিত আসনের জন্য বেশ কয়েকজন নেত্রীর নাম উঠে এসেছে, যারা বিভিন্নভাবে শীর্ষ নেতাদের মনোযোগ কাড়তে চেষ্টা করছেন। এদিকে ময়মনসিংহ অঞ্চলে আলোচনায় উঠে এসেছে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় সাবেক ছাত্রদল নেত্রী তানজীন চৌধুরী লিলির নাম।সংরক্ষিত আসনের জন্য আলোচনায় রয়েছেন সাবেক এমপি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়িকা সৈয়দা নার্গিস আলী। তিনি এর আগে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এএসএম মোস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। পরে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় মহিলা দল প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পান। এবারও মনোনয়ন পেতে তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। বয়সের ভারে কিছুটা ন্যুব্জ হলেও অভিজ্ঞতার জায়গায় এগিয়ে আছেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা দাবি করছেন।তালিকায় আরো রয়েছেন—খুলনা মহানগর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা রেহানা আখতার। তিনি খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খ্যাতিমান সাংবাদিক সৈয়দ ঈসার সহধর্মিণী। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রেহানা আখতার শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত এবং বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা। বুদ্ধিবৃত্তিক মহল এবং রাজপথ—উভয় জায়গায় দক্ষতা দেখিয়েছেন, আন্দোলনে রাজপথ থেকে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। ফলে দল তার এ অবদানের মূল্যায়ন করবে বলে আশাবাদীজাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছে গত বৃহস্পতিবার। নির্বাচনের ঠিক এক মাসের মাথায় প্রথম অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জনমনে আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস ছিল তুঙ্গে। টেলিভিশন ও মোবাইল লাইভে কোটি কোটি মানুষ দেখেছেন ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ। বহু বছর পর আবারও গণমানুষের আগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে জাতীয় সংসদ।সাধারণ আসনের ভোট শেষ হতেই সংরক্ষিত আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেন নারী নেত্রীরা। নিজেদের রাজনৈতিক প্রোফাইল তৈরি করে যোগাযোগ ও দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছিলেন দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। আর সংসদ অধিবেশন শুরু হতেই তাদের সে তৎপরতা পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্বে। খুলনা-বাগেরহাট সংরক্ষিত আসনের জন্য বেশ কয়েকজন নেত্রীর নাম উঠে এসেছে, যারা বিভিন্নভাবে শীর্ষ নেতাদের মনোযোগ কাড়তে চেষ্টা করছেন। এদিকে ময়মনসিংহ অঞ্চলে আলোচনায় উঠে এসেছে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় সাবেক ছাত্রদল নেত্রী তানজীন চৌধুরী লিলির নাম।বিজ্ঞাপনসংরক্ষিত আসনের জন্য আলোচনায় রয়েছেন সাবেক এমপি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়িকা সৈয়দা নার্গিস আলী। তিনি এর আগে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এএসএম মোস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন তিনি। পরে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় মহিলা দল প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পান। এবারও মনোনয়ন পেতে তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে যোগাযোগ রক্ষা করছেন। বয়সের ভারে কিছুটা ন্যুব্জ হলেও অভিজ্ঞতার জায়গায় এগিয়ে আছেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা দাবি করছেন।তালিকায় আরো রয়েছেন—খুলনা মহানগর বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা রেহানা আখতার। তিনি খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খ্যাতিমান সাংবাদিক সৈয়দ ঈসার সহধর্মিণী। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রেহানা আখতার শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত এবং বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা। বুদ্ধিবৃত্তিক মহল এবং রাজপথ—উভয় জায়গায় দক্ষতা দেখিয়েছেন, আন্দোলনে রাজপথ থেকে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। ফলে দল তার এ অবদানের মূল্যায়ন করবে বলে আশাবাদী তার অনুসারীরা।ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা আজিজা খানম এলিজার নামও রয়েছে আলোচনায়। স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। সরকারি পাইওনিয়ার কলেজের দুইবারের ভিপি তিনি। খুলনা মহানগর মহিলা দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যও ছিলেন। আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি গ্রেপ্তার হন, নাশকতা মামলার আসামি ছিলেন, রাজপথে কয়েক দফা হামলায় আহত হয়েছেন। পেশায় শিক্ষিকা এই নারী নেত্রী বিভিন্ন সমাজসেবামূলক সংস্থার সঙ্গে জড়িত। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণ নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা হলে তার সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে মনে করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন