শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু,খুলনা ফুলতলা
নেপাল ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬০০, জনে পৌঁছেছে, অপরদিকে এখনো নিখোঁজ আছেন প্রায় দুই হাজার মানুষ, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা তাদের সর্বশেষ আপডেট জানান, বন্যা কবলিত স্থান থেকে ৫১৭ টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, আর খোঁজ আছেন ১ হাজার ৯২৪ জন যার মধ্যে বিদেশি ৫১৭ জন, আক্রান্তস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৫ হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি, অপরদিকে নেপালের পুলিশ ৫৭৫ জন বিদেশি নিখোঁজ থাকার তথ্য দিয়েছেন, যার মধ্য ৩৬ টি দেশের নাগরিক আছেন, এরমধ্য ভারতের সর্বোচ্চ ১৮৩ জন যুক্তরাষ্ট্রের ৬৫ জন এবং ইউক্রেনের ৬২ নাগরিকের খোঁজ পাওয়া যায়নি, এর সঙ্গে ৩৩ ব্রিটিশ নাগরিক ও নিখোঁজ আছেন, যেখানে বন্যা হয় তার পাশেই অবস্থিত চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বত, এই তিব্বতে হিন্দু ধর্মালম্বীদের পবিত্র স্থান কৈলাস মানষ সারোবর অবস্থিত, ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে সেখানে যান পর্যটকরা, এছাড়া অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও প্রকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ওই স্থানটিতে ঘুরতে যান, এ কারণে এক জায়গাতেই এত বিদেশি পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, গত বুধবার সকালে হঠাৎ করে রাসুয়ার দিকে ধেয়ে আসে আকস্মিক ঢল, এ সময় সেখানে ত্রিশূলি এবং নরায়নি নদীর পানি বেড়ে যায়, আর ভোটকোশি নদীর পানি ফুলেফেঁপে উঠছে, পাহাড়ের উপর থেকে নেমে আসা পানিতে যুক্ত হয় ভূমিধসের কাদামাটি, পাতর! এই বানের শক্তি এতই বেশি ছিল যে এটি তার পথে থাকা সব ধরনের অবকাঠামো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে এটি, নেপালের পাশাপাশি চীনের সাযত্যশাসিত অঞ্চল তিব্বত ও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানে অন্তত ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ আছেন, চীন তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল, এরপর নতুন করে আর হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেননি, তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভয়াবহ ওই বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে,
মন্তব্য করুন