নিজস্ব প্রতিনিধি মাহিয়া আক্তার:১৯৫৫ সালে শাহ্পুর ডুমুরিয়ায় শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী মধুগ্রাম ঈদগাহ ময়দানে বিশাল ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এই বিশাল ঈদের জামাতে দীর্ঘদিন যাবত ইমামতি করেন বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মুফাসসিরে কোরআন, সোশ্যাল মিডিয়া দাওয়াতুল কুরআন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, এরাবিক বিশুদ্ধ কুরআন শিক্ষা ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব,শাহীবাগ জামে মসজিদের সম্মানিত খতিব হজরত মাওলানা মুফতি ক্বারী মাহদী হাসান কাউসারী।মাওলানা মুফতি ক্বারী মাহদী হাসান কাউসারী বলেন, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে খুশির সওগাত নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের দ্বারে সমাগত। ঈদুল ফিতর ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে শান্তি ও সহমর্মিতার অনুপম শিক্ষা দেয়। এটি সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। বাস্তব জীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।
মাহদী হাসান কাউসারী ঈদের জামাত পূর্বে তার আলোচনার বলেন জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশবাসী দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছে। সেই বিপ্লবের চেতনায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী প্রথম ঈদ উদযাপন করছে দেশবাসী। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ইসলামী হুকুমতের মাধ্যমে সর্বদা জনগণের পাশে থাকতে হবে।জুলাই আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদ এবং আহত যোদ্ধাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান । তারা স্পষ্ট করেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম চলেছে, ঠিক সেভাবেই নতুন বাংলাদেশ ও একটি আদর্শ সোনার বাংলাদেশ গড়তে হবে আমাদের।তিনি আরও বলেন, ঈদ হলো ঐক্যের প্রতীক। আসুন আমরা দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের প্রিয় দেশটাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি আধুনিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলি।
এই দোয়া কামনা করছি মহান আল্লাহর দরবারে।
মন্তব্য করুন