পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি
কেশবপুরের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন) একজন মেধাবী, সৎ, নিষ্ঠাবান, সদালাপী, হাস্যজ্জল, পরোপকারী, সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষটি যাঁর উপকারের কথা বলে শেষ করা যায় না, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোঃ রেজাউল করিম লিভারে টিউমার ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য গত দুইসপ্তাহ যাবত ভারতের চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছেন। তিনি জানিয়েছেন, “ওষুধ সেবন অব্যাহত আছে এবং চিকিৎসা প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা চলমান আছে। চিকিৎসা প্রটোকল অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে চারটি সাইকেলের মধ্যে এ পর্যন্ত দুইটি সাইকেল এর ইমিউনোথেরাপি ও কেমোথেরাপি দেয়া শেষ হয়েছে। ৩য় সাইকেলের ইমিউনোথেরাপি ও কেমোথেরাপি দিতে ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ আবার ভারতের চেন্নাই যাওয়ার এয়ার টিকেট করা হয়ছে। চেন্নাই এপোলো হাসপাতালে ২ সেপ্টেম্বর ডক্টরের এপয়েনমেন্ট এর জন্য অনলাইনে টিম এর সাথে যোগাযোগ করেছি। ডক্টর দেখিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর ডক্টরের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে ৩য় সাইকেল এর ইমিউনোথেরাপি ও কেমোথেরাপি দেয়ার দিন ধার্য আছে। ৪র্থ সাইকেলের ইমিউনোথেরাপি ও কেমোথেরাপি সংগ্রহ করে দেশে ফিরে স্কয়ার হাসপাতালে দেয়া যাবে।”হাস্যজ্জল ও সদালাপী মোঃ রেজাউল করিম ৩য় চক্রের ইমিউনোথেরাপি এবং কেমোথেরাপি (D1) গত বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর-২৬) তারিখে আপোলো স্পেশালিটি হাসপাতাল, চেন্নাই, ভারতে চলছিল। তিনি আপোলো স্পেশালিটি হাসপাতাল, চেন্নাই, ভারতের ডাঃ টি. রাজা স্যার, মেডিকেল অনকোলজি (টি. রাজা ক্যান্সার কেয়ার) এর ডায়রেক্টরের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চেন্নাই এপোলো স্পেশিয়ালিটি হাসপাতাল থেকে গতকাল (০৬ সেপ্টেম্বর-২৬) বিকেলে দেশে ফিরেছেন। শরীর দুর্বল ও মাথা ব্যাথা, সাথে কিছু সাইড ইফেক্ট এয়ারপোর্টে নেমে সরাসরি মুন্সীগঞ্জের বাসায় চলে এসেছেন।কেশবপুরের সকল মানুষের নিকট অনুরোধ করেছেন যেনো সবাই অন্তর থেকে আল্লাহর নিকট দু’হাত তুলে দোয়া করেন। তাঁর পাশে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা এবং সকলকে স্বাগত জানিয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ করার আহবান জানিয়েছেন।বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক (প্রশাসন) গুরুতর অসুস্থ মোঃ রেজাউল করিম-এর দ্রুত সুস্থতা জানিয়েছেন, কেশবপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ।
মন্তব্য করুন